Uncategorized

ফিল্ম সমালোচনা: নীরজা

12716091_959517230796484_5543707051053062969_o

যদি সোনমের পরিবর্তে দীপিকা, অনুষ্কা বা কঙ্গনা করতেন নীরজা ভানোটের চরিত্র, একটা মাষ্টারপিস্ তৈরী হত হয়তো সিনেমাটা।

বলিষ্ঠ একটা মেয়ে। বিপদের মধ্যে দাঁড়িয়ে ঘাবড়ায় কম, মাথার ব্যবহার করে বেশী। গা বাঁচানোর থেকে কর্তব্য বেশী গুরুত্বপূর্ণ যাঁর কাছে। ১৯৮৬-র সেই ঘটনা আমি দেখিনি। নিশ্চয়ই নীরজা কাঁদছিলেন, ভয় পাচ্ছিলেন। সেগুলো মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি কিন্তু এরকম ঝুঁকি যে মানুষ নিতে পারে, তাও ওরকম অল্প বয়সে যখন জীবন ঠিকমতো ডালপালাও মেলেনি সেই মানুষের অভিব্যক্তি, চলাফেরা বা নিছক কথাবার্তাতেও থাকবে একটা দুর্দান্ত আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন যা সোনমের অভিনয়ে পেলাম না। সোনমের নীরজা যেন একটু বালিকাসুলভ, ছটফটে, চোখেমুখে দৃঢ়তার চিহ্ন কম অবশ্যই সেই দৃশ্যগুলো ছাড়া যেখানে বডি ল্যাঙ্গুয়েজে স্ট্রেংথ অত্যাবশ্যক। এককথায়, সোনম হতাশ না করলেও বাহবা দেওয়ার মতো অভিনয় করেননি।

আমার চোখে পরিচালক এই সিনেমার আসল হিরো। নাটকীয়তা কম। ঘটনাগুলোকে দেখিয়েছেন যথাসম্ভব স্বাভাবিক করে। আর ঠিক সেজন্যই দর্শকদের বেশী ভালো লেগেছে হয়ত, কারণ আবেগের আতিশয্য আবেগকেই ঢেকে ফেলে আস্তে আস্তে।

সবমিলিয়ে ‘দেখতেই হবে’ এমন একটা সিনেমা।

একটা জিনিসই খারাপ লাগছে ভেবে যে নীরজা ভানোটের মা হয়তো পূর্ণাঙ্গ সিনেমাটা দেখে যেতে পারেননি। গত বছর ডিসেম্বরে তিনি মারা যান। আর তাঁর বাবা তো তারও আগে মারা গেছেন।

Advertisements
Standard

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s