recitation, Uncategorized

A Dancer Long Lost : Recitation By Dipashri

A Dancer Long Lost : Recitation by Dipashri

Written By: Maitreyee Bhattacharjee Chowdhury

Background Music Courtesy: Dhithiki Dhithiki Thai + Wind Gusting Effect + Carnatic Vocal

Videography: Shantanu Biswas

Performed in WordZoned Poetry Meet, in Bangalore.

Standard
Uncategorized

The Wife’s Letter : Elocution by Dipashri

The Wife’s Letter : Elocution by Dipashri

(English Translation of ‘Streer Patra’)

Written By: Rabindranath Tagore

Translated By: Animikha WordPress / Ruma Chakravarti (https://animikha.wordpress.com)

Background Music Courtesy: Indian Meditation Music (Krishna Instrumental)

Videography: Shantanu Biswas

Language: English

Standard
Uncategorized

Karna : Recitation by Dipashri

Karna : Recitation by Dipashri

Poet: Sabyasachi Deb

Language: Bengali

Theme: The monologue by Karna (probably the greatest warrior in the epic ‘Mahabharata’) addressing Arjun during the war of Kurukshetra.

Videography: Shantanu Biswas

Background Music Courtesy: Medieval Battle Sound Effect + Musicoterapia

Standard
Uncategorized

নববর্ষের সেকাল একাল

Pohela-Boishakh-Wallpapers-1423তখন স্কুল থেকে সবেমাত্র বাড়ী ফিরেছি। জুতো মোজা খুলে ভেতরের ঘরে ঢুকব, ঠিক তখনই চোখ পড়ল সামনের ঘরের বিছানার কাঠের তক্তা থেকে ঝোলানো দুটো সাদা জামার দিকে। হুবহু একই design, একই রঙ। সাদার মধ্যে নীল-লাল-বাদামী-সবুজ গোল গোল বুটি দেওয়া। তখন আমি ষষ্ঠ শ্রেণী, মাথায় বয়েজ কাট আর চোখে বয়ঃসন্ধি। ফ্রক দুটো একটা আমার, আরেকটা দিদির। মা আগে থেকে কিনে রেখেছিলেন পরের দিন পয়লা বৈশাখে পরব বলে। আজও কেন জানিনা চোখে লেগে আছে সেই নতুন ফ্রক দেখার আনন্দ, নতুন জামাটার গন্ধ। পরতে প্রচন্ড ইচ্ছে হলেও বুনো খরগোসের মত ভেতরে একগাদা অধৈর্য ধামাচাপা রেখে ওপরে ওপরে শান্তশিষ্ট লেজবিশিষ্ট ঢং করে খালি ঘন্টা গোনা কখন বৈশাখের প্রথম দিনটা আসবে আর আমি ঐ সাদার মধ্যে নীল-লাল বুটিবুটি জামাটা পরব। আয়নায় সামনে নতুন জামা পরা নতুন আমিকে দেখব। এখন আলমারিতে প্রচুর জামা। কোনওটা পরা হয়েছে তো কোনওটা এখনও untouched. কিন্তু সেই নতুন গন্ধটা পাইনা। নতুন জামা পরার উত্তেজনাও নেই আর। ছোটবেলায় আর্থিক অবস্হা এখনকার মত ছিলনা। খুব বেশী জামাকাপড়ও ছিলনা প্রয়োজনীয় কিছু ছাড়া। কিন্তু আনন্দটা ছিল। পয়লা বৈশাখের উত্তেজনা ছিল। আর ছিল প্রত্যেকটা বছরকে সত্যি সত্যি একটা সম্পূর্ণ নতুন বছর বিশ্বাস করা।

Standard
Uncategorized

Film Review: Kadambari

Kadambari-Bengali-movie

‘কাদম্বরী’ নিয়ে বেশ কিছুটা প্রত্যাশা ছিল। কঙ্কনা সেনশর্মা তাঁর প্রথম ছবি ‘তিতলি’ থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ভীষণরকম স্বাভাবিক অভিনয় কাকে বলে। এখানেও তিনি ব্যতিক্রম নন। রাবীন্দ্রিক আবহ যথাযথ তৈরী করা হয়েছে সময়োপযোগী set design-এর মাধ্যমে। তবু ঠিক জমলনা যেন।

তার প্রধান কারণ, খুব তাড়াতাড়ি বিভিন্ন দৃশ্য শেষ করে দেওয়া, যেখানে আরেকটু elaborate করার দরকার ছিল। যেমন সেই দৃশ্যটি যেখানে রবীন্দ্রনাথ, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ আর কাদম্বরী দেবী গঙ্গাবক্ষে নৌকায় রাত্রিযাপন করছেন। পলতা আসার উপক্রম হলে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথকে প্রস্তাব দিলেন adventurous কিছু করা যায় কিনা। অতএব সাঁতরে নদীপার হওয়ার আহ্বান। তাতে কাদম্বরী রবীন্দ্রনাথের safety নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রথমে, তারপর তাঁর মনে পড়ল নিজের স্বামী জ্যোতিরিন্দ্রনাথের safety-র কথা। ব্যাপার গোলমেলে বুঝলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ। হালকা একটা অভিব্যক্তি দিলেন। ব্যস, দৃশ্য শেষ। পুরো সিনেমার মধ্যে এটা একটা অন্যতম প্রধান দৃশ্য যেটা একইসাথে পরকীয়া আর স্বকীয়ার অস্তিত্ব প্রথম স্পষ্টভাবে প্রকট করছে। আরেকটু illustration প্রয়োজন ছিল, নাহলে এইরকম মোড়গুলো ব্যাপ্তি পায়না পুরোপুরি।

চিত্রনাট্য সুন্দর, যদিও ক্ষেত্রবিশেষে দুর্বল। সুমন ঘোষের পরিচালনায় টানটান ব্যাপারটা বোধ করলামনা কোথাও। পরমব্রতর অভিনয় আমার কখনই ভালো লাগেনা তেমন। বিক্রম ঘোষের সুরারোপিত ‘কাছের সুরে’ (কন্ঠ: শ্রাবণী সেন) এবং ‘আজ নতুন প্রভাত’ (কন্ঠ: কৌশিকী) গানদুটি ভারী সুন্দর। Interestingly এমনভাবে তিনি সুর দিয়েছেন আর music arrangement করেছেন যে মনে হচ্ছিল যেন এগুলি রবীন্দ্রসঙ্গীত। পরে আমার ভুল ভেঙেছে। রবীন্দ্রসঙ্গীত গুলির আর বিদ্যাপতির লেখা/সুরারোপিত ‘ভরা ভাদর’-এর (কন্ঠ: রশিদ খান) musical arrangement (done by Bickram Ghosh) এককথায় অনবদ্য। Background score-ও তিনি দক্ষ হাতে সামলেছেন। সবমিলিয়ে সিনেমাটির music মন ছুঁয়ে গেল।

কিছু ঘটনা সম্পূর্ণ অনুপস্হিত সিনেমাটিতে যা দেখালে রবীন্দ্রনাথ -কাদম্বরীর প্রেমের কয়েকটি বৃত্ত বোঝানো যেত, যেমন ১) বিলেতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ যেসব চিঠি লিখেছিলেন কাদম্বরী দেবীকে, তার মধ্যে কয়েকটিতে ইংরেজ মেয়েদের সৌন্দর্য, প্রশংসা আর তাদের প্রতি রবীন্দ্রনাথ সহ বিভিন্ন পুরুষদের অনুরাগ সম্পর্কিত কিছু লেখা ছিল যা পড়ে কাদম্বরী দেবী স্বাভাবিকভাবেই খুশী হননি।

২) সিনেমার Climax-এর দিকে কাদম্বরী দেবী রবীন্দ্রনাথের ঘরে ঢুকে একটি লেখা পড়েন – ‘হেথা হতে যাও পুরাতন…’। খালি এটুকু দেখান হয়েছে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ঐ দিন কাদম্বরী দেবী রবীন্দ্রনাথের লেখা আরও কয়েকটা লেখা পড়েন যাতে মৃণালিনী দেবীকে (রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী) নিয়ে রবীন্দ্রনাথ কিছু নারীশরীরের বিভিন্ন অঙ্গ সৌন্দর্য সংক্রান্ত কবিতা লিখেছিলেন। কাদম্বরী দেবী স্বাভাবিকভাবেই দুঃখ পান।

৩) রবীন্দ্রনাথ বেশ কিছু কবিতা/চিঠি লিখেছিলেন কাদম্বরী দেবীর বিস্তারিত দেহ সৌন্দর্য নিয়ে যা প্রমাণ করে তাদের ঘনিষ্ঠতা শারীরিক পর্যায়েও ছিল অথচ সিনেমায় এই ব্যাপার একদম উধাও, হয়তো বেশীরভাগ বাঙালী এটা accept করতে পারবেনা সেই ভয়ে। একেই বিতর্কিত topic, তার উপর বাঙালি নিতে না পারলে box office ঝুলে যাবে তো, সেজন্যই…

রাধা কৃষ্ণ থেকে আন্না কারেনিনা। চতুরঙ্গ অথবা বিবর। পৃথিবীতে পরকীয়া সবসময়ই author/film maker/reader/audience দের কাছে দারুণ interesting. স্বকীয়া নিয়ে আর কার মাথাব্যথা ? একবার দেখাই যায়। কিন্তু ঐ যে বললাম, বেশী আশা করে যাবেননা। হতাশ হতে পারেন।

Standard
Uncategorized

Film Review: Tanu Weds Manu Returns

ফিল্ম সমালোচনা: Tanu Weds Manu Returns

এক কথায়, প্রচণ্ডরকমের over rated সিনেমা। সকালে Times Of India দেখেছিলাম ৪.৫/৫ দিয়েছে, হিন্দুস্তান টাইমস তো আরও এগিয়ে বলছে ‘A milestone you can’t miss’. বাপ রে। এরকম milestone miss করা যায় নাকি ? একদম না। Front Row-তে বসে দেখলাম সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে বলে।

দেখে ঘাড়ে ব্যথা, মনে ব্যথা, দিব্যি বোকা বানিয়ে দিল তো। এজন্যই বিজ্ঞজনেরা বলে গেছেন, পরের মুখের ঝাল খেতে নেই। নিজে চেখে দেখতে হয় নুন ঠিক আছে কিনা, ঝাল বেশী হয়ে গেল কিনা। কারুর নুনটা কম হলে ভাল লাগে, তো কারুর ঝালটা বেশী tasty লাগে। নিজে দেখুন, নিজে ভাল মন্দ বিচার করুন।

প্রথমত সিনেমার opening sequence ভাল লাগেনি। পুরো সিনেমা জুড়ে প্রচুর সুন্দর সুন্দর one liners আর মজার ডায়ালগ আছে কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় অবাস্তব ব্যাপারটা চোরাবালির মত এসে আমেজটা নষ্ট করে দিচ্ছে। যেমন দিল্লি ইউনিভার্সিটিতে বড় ডাক্তার মনোজ শর্মা বক্তৃতা দিতে গিয়ে কুসুমকে দেখে এমনই বিহ্বল হয়ে পড়লেন যে আধা পড়াশোনা জানা পাপ্পিকে হৃদযন্ত্রের জটিল কাজ সংক্রান্ত মেডিক্যাল বক্তৃতা দেওয়ার দায়িত্ব দিয়ে চম্পট দিলেন। পরের দৃশ্যে যেখানে পাপ্পিকে ছাত্রছাত্রীরা নানারকম প্রশ্ন করছে আর পাপ্পি উত্তর না দিতে পেরে সঙের মত সিনেমাহলের দর্শকদের হাসানোর চেষ্টা করছে, আমার মতে এটা সিনেমার দুর্বলতম দৃশ্য। আমার অন্তত একদমই হাসি পায়নি, বিরক্তি লাগছিল।

কঙ্গনা রাণাওয়াৎ অসাধারণ অভিনেত্রী সবাই জানে। তিনি একাই প্রায় পুরো সিনেমাটা টেনে নিয়ে গেছেন। হরিয়ানার ভাষায় চমৎকার সাবলীলতা দেখানোর পাশাপাশি ডাবল রোলের দুই জায়গাতেই তিনি স্বাতন্ত্র ধরে রেখেছিলেন। কঙ্গনাকে দেখতে somehow আমার কোনওদিনই ভাল লাগেনা, চুলগুলো কেমন উস্কো খুস্কো, ঠোঁটের উপরটা বাঁকা, ‘ত’ উচ্চারণ করার সময় জিভ বের করে বলেন, মানে হিন্দি সিনেমার তথাকথিত নায়িকাসুলভ কমনীয়তা দেখিনা তাঁর মধ্যে, যদিও আকর্ষণীয় একটা ব্যাপার আছে সবমিলিয়ে। মাধবনকে আমার এমনিতেই ভাল লাগে, সেই যখন থেকে তিনি Zee TV-র Sea Hawks করতেন। মোটা হয়ে গেছেন যদিও তবুও ঐরকম একটা look বা image আছে ওনার যেটা অনেক মেয়েরা পছন্দ করে – someone I can depend totally. আর ঠিক এইকারণেই তাঁর expression-এ তেমন বৈচিত্র না থাকলেও দারুণ মানিয়ে গেছে। দীপক ডোবরিয়াল আর স্বরা ভাস্কর যথাযথ।

গানগুলো শ্রুতিমধুর। মেকআপ আর্টিষ্ট কুসুমের মেকআপ ঠিকমতো করেননি। কঙ্গনার গলার তিলটা এতটাই prominent যে সাদা concealer কাজ করেনি। পরচুলাটাও সহজেই চোখে পড়ছিল।

Extra marital affair নিয়ে সিনেমা বানাতে গেলে পরিচালকরা সাধারণত একটু বেশী সংবেদনশীল হয়ে পড়েন, যতই দোষ বা অসুবিধা থাকুক স্বামী স্ত্রী দুজনে দুজনের কাছে ফিরতে বা ভালবাসতে বাধ্য এরকম একটা conclusion বানিয়ে ছাড়েন। সে সিলসিলা-ই হোক বা এই ফিল্ম। মাঝখানে করণ জোহর একটু অন্যরকম conclusion (Kabhi Alvida Na Kehna) দেখাতে গিয়ে বক্স অফিসে মার খেয়েছেন, সুতরাং হিমাংশু শর্মা (story writer of this movie) আর chance নেননি। Tanu’র একগাদা attitude problem থাকলেও Manu is supposed to return to her for she is his wife. মাঝখান থেকে প্রেম উপেক্ষিত, সামাজিক দায়িত্ব প্রশংসিত।

আমার তেমন ভালো লাগেনি।

tanu-weds-manu-returns11

Standard