recitation, writing

An Ordinary Girl: My Recitation

Because today is International Women’s Day, sharing a poem based on an ordinary girl !

Concept: After being betrayed by her affluent boyfriend Naresh, an ordinary girl Malati requests Sarat Chandra Chattopadhyay, to write a story on an ordinary girl – about her suffering, insult, dream & heartbreak.

Written By: Rabindranath Tagore

Translated in English By: Arunava Sinha (https://arunavasinha.in/)

Performed at the prestigious Indian Institute of World Culture (IIWC), Bangalore on 4th March, 2017.

Advertisements
Standard
Uncategorized

This Woman’s Day, make a difference.

Good figure. Bright eyes. Soft nature. A charming young lady, she was.

Soon caught attention of the men, staying in the neighbourhood. She was my favourite. Used to protect her from lustful eyes, as much as I can. Not sure, if anybody among them had true love for her.

Months passed.

Suddenly discovered she is pregnant.

Another few months.

And, she is a mother now.

Adorable babies. Soft head, small eyes.

People around us did not like them obviously.

Seeing her perplexed about where to bring up them properly;

I requested my mother so that she could stay with us, in our house..

Maa agreed.

She started staying in our house. Beside my room.

Everyday, after coming from school, my first work used to be to cuddle the kids. What they are doing ? How much they grew up ?

Days passed.

The kids are little big now. Healthy. Naughty.

Named them, ‘Babli’ + ‘Jhimli’.

That day was my exam. Came back home, the paper was not good. Sure, won’t score much.

Sad mind badly needs a booster. Where are the kids ?

Babli ? Jhimli ?

Nobody there. Searched my house, then neighbourhood, then locality.

Nowhere they are. Came back home. Blank mind. Tensed.

Sat down beside their bed. Helpless. Their mother came.

‘Miaao’ ?

Saw the same tension + question + sadness in her eyes, which are supposed to be seen in human eyes, such time.

She did not eat that night.

Next day, offered her my piece of fish.

She didn’t touch.

For the consecutive few days, I saw her roaming in & around the locality, with a bizarre Meowing, searching her babies.

Took few more days for her to come back to normalcy.

The male cat ate her babies. A fact, common in the feline world.

20 years passed.

And, still when I recall that bizarre staring of her – asking me, “Where are my kids ?” I feel kind of shivering.

That day, for the first time, I realised,

Language is secondary.

Despite having over 6500 languages, Only one language rules in this world. Across genre, species, class, phylum.

The language of heart.

And, thereby basic emotion is same too.

This Women’s Day, come, let’s do a little bit for the other women too, who are not so human.

A small piece of fish, little milk, may be dipped in honey ?

And, if mother, providing something extra ?

so that she doesn’t have to endure the pain of losing her babies ?

The pleasure you will get would be nowhere close to an expensive gift gifted by your man.

This Women’s Day,

Come, make a difference.

Spread Womanism.

Not Feminism.

Standard
Uncategorized

Valentine’s Thoughts !!

Needle is interesting. A skinny little girl who can terrify muscular adults if denied attention.

And, creates wonder when given ample attention.

Saree, Sweater and ?

And, that was one thing…

January end, 2007. Was taking clothes from husband’s wardrobe to get them ironed. Noticed a pant. His favourite one. A little worn out on left side.

Took the niddle. Repaired.

Took a paper. Drew heart shape. Wrote “My Heart Pants For You.” Put it in the fold of the repaired pant.

And, eagerly waited for his reaction.

No reaction.

Checked the pant after a few days. Still untouched.

Stopped checking after another few days.

14th February reached. Not a big deal, we rarely celebrate it.

Oiled my hair. Jovees Bhringraj Oil. Time to bath. Time for dusting before the bath.

Duster on my right hand. Drawing room done. Now, bedroom.

One painting, small TV and a wooden dressing table.

Barely, one second gap after hitting the duster on the side rack of dressing table.

Amidst those small wooden showpieces,

That same paper which I kept in his pant…

Now, his handwriting, under my handwriting,

“Wood you be my Valentine ?”

Standard
Uncategorized, writing

Valentine’s Day..it was

Needle is interesting. A skinny little girl who can terrify muscular adults if denied attention.

And, creates wonder when given ample attention.

Saree, Sweater and ?

And, that was one thing…

January end, 2007. Was taking clothes from husband’s wardrobe to get them ironed. Noticed a pant. His favourite one. A little worn out on left side.

Took the niddle. Repaired.

Took a paper. Drew heart shape. Wrote “My Heart Pants For You.” Put it in the fold of the repaired pant.

And, eagerly waited for his reaction.

No reaction.

Checked the pant after a few days. Still untouched.

Stopped checking after another few days.

14th February reached. Not a big deal, we rarely celebrate it.

Oiled my hair. Jovees Bhringraj Oil. Time to bath. Time for dusting before the bath.

Duster on my right hand. Drawing room done. Now, bedroom.

One painting, small TV and a wooden dressing table.

Barely, one second gap after hitting the duster on the side rack of dressing table.

Amidst those small wooden showpieces,

That same paper which I kept in his pant…

Now, his handwriting, under my handwriting,

“Wood you be my Valentine ?”

Standard
Uncategorized, writing

ছেলেটা

ছেলেটা ভালো আঁকত। এমনিতে চুপচাপ, গম্ভীর টাইপ। পাড়ার লোকেরা বলত, বয়সের তুলনায় ভাবুক বেশী নাকি। আর পাঁচটা সমবয়সী বাচ্চাদের মতো ছটফটে না, দৌঁড়ে বেড়ানো টাইপ না।

বেশ বড়োলোক ফ্যামিলিরও। বাবা মন্ত্রী, মা বিশাল খানদানি পরিবার থেকে। অঢেল পয়সা। পাঠিয়ে দেওয়া হল ছেলেকে বোর্ডিং স্কুলে। আগেই বলেছি, ইন্ট্রোভার্ট বাচ্চা। মানাতে অসুবিধা হচ্ছিল স্কুলের পরিবেশে। বারবার বলত মা বাবাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। মা আবার ঠাকুর দেবতা নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত থাকেন। তাছাড়া ঘরে আরও কয়েকটা ছেলেপুলে তাঁর। ফালতু কথায় কান না দিয়ে ছেলেটাকে পাঠিয়ে দিলেন অন্য আরেকটা স্কুলে। এখানেও মন বসলনা। ডিপ্রেসনের হাতেখড়ি হল।

চাকরি পেতে বেগ পেতে হয়নি অবশ্য। পড়াশোনায় খারাপ ছিলনা। কুড়ি বছর বয়সেই নিজের বাবার থেকে বেশী পয়সা কামাতে শুরু করল। খুশী খুশী মন। একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে গ্যালো ধপ্ করে। মেয়েটা বাড়িওয়ালা কাকুর মেয়ে। তদ্দিনে অন্য একটা বেশ হোমড়াচোমড়া পয়সাওয়ালার সাথে তার বিয়ের কথা প্রায় পাকা। চ্যাংড়া ছেলেটাকে এখন পাত্তা দিলেনা চলবেনা।

আবার, মন ভেঙে গ্যালো ছেলেটার।

অন্য জায়গায় চাকরি নিল। আহামরি চাকরি না হলেও পয়সা আসছে মোটামুটি, কিন্তু কাজটা একদমই ভালো লাগছেনা। ঠাকুর দেবতা, পুজো আচ্চা নিয়ে সময় কাটাতে শুরু করল আস্তে আস্তে। একসময় ওটাই প্যাশন হয়ে দাঁড়াল। ধর্মতত্ত্ব নিয়ে পড়াশোনা করবে ঠিক করল। লোকে বলে, যেটা প্যাশন সেটা pursue করলে নাকি ভালো ফল আসবেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব বিভাগে ভর্তির পরীক্ষা দিল খেটেখুটে।

ফেল্ হয়ে গেল।

ধর্মতত্ত্বর একটা sub-subject-এর ওপর পড়ার স্কোপ্ আছে জানতে পারল অন্য একটা জায়গায়। আবার পড়াশোনা, আবার অ্যাপ্লিকেশন্ ফর্ম, আবার এন্ট্রান্স্ পরীক্ষা।

আর, আবার ফেল্।

খেপে গ্যালো ছেলেটা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনই কি সব ? তাঁর ভেতরে যে প্যাশন আছে জিনিসটা নিয়ে, তার দাম নেই ? কাউকে শেখাতে হবেনা। সে নিজেই শিখে নেবে ধর্মতত্ত্ব, ঈশ্বরে পৌঁছনোর রাস্তা। পুরোহিতের কাজ নিল। দেখল, একই ধর্মের নীচু জাতির মানুষের থাকা খাওয়ার জায়গা নেই। রাস্তায় পড়ে আছে। নিজের বাড়িটা ছেড়ে দিল, তাদের কয়েকজনের থাকার জন্যে। নিজে থাকতে শুরু করল ছোট্ট একটা ঘরে। খড়ের বিছানায় শোয়।

চলবেনা। এসব করলে পুরুত সমাজের স্ট্যাটাস্ থাকেনা। ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হল চাকরি থেকে। এবারও।

নদীতে কিছু জল বয়ে গ্যাছে তারপর। বেকার ছেলে এখন বাবা মার বাড়িতেই থাকে। চারপাশের লোকজন, গাছগাছালি, আকাশ দেখে। যেটা মনে ধরে, ব্রাশ্ দিয়ে ছবিতে ফুটিয়ে তোলে। তুলতে তুলতে আবার একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে যায় হুট করে। মেয়েটা বিধবা। ৮ বছরের বড় তাঁর থেকে। বাচ্চাও আছে। তবুও ওঁর তাকেই চাই। প্রেম অন্ধ।

প্রেমিকা কিন্তু অন্ধ না। ওঁকে বিয়ে করবেনা বলে দিল সটান। কেন ? বেকার ছেলে তো।

ব্যর্থ প্রেম, আবার।

মন ভাঙা। ভাঙা মন নিয়ে রঙ তুলি ধরে সৃষ্টিসুখের উল্লাসে ভুলে থাকা। তাঁর cousin ততদিনে মোটামুটি নামী painter. দেখে খুব ইচ্ছে হয়, ওর মতো নামডাকওয়ালা পেন্টার হতে। ওর কাছে গিয়ে কাজ শিখতে শুরু করে। কিন্তু এসব আর্ট ফার্ট আবার হেব্বি পয়সার ব্যাপার মাইরি। দাদা বলেছে, পয়সা দিয়ে ভালো সুন্দর মডেল ভাড়া করে ছবি আঁকতে। পয়সা কই ? অতএব, রাস্তার ভিখিড়ি এনে মডেল করা। ছবি আঁকা। আর্ট ঠিকমতো হওয়া নিয়েই তো কথা। জানতে পেরে, দাদার বকা। ছাড়তে হল কাজটা।

আবার।

শরীর বিদ্রোহ করছিল কদিন ধরেই। ডাক্তার দেখাতে দেরী করতে করতে একটু বেশী দেরী হয়ে গ্যালো। প্রায় তিন সপ্তাহ হাসপাতালে শুয়ে অবশেষে বাড়ি ফেরৎ।

এবার নিজের মতোই ছবি আঁকতে শুরু। পাত্তা পেলনা বিশেষ। কেউ কেনেনা ওঁর ছবি।

মদ খাওয়া বাড়িয়ে দিল অনেকটা। একা একা থাকে। খাওয়া পরার কোন ঠিক নেই। মাঝখানে বন্ধুর সাথে ঝগড়া করে নিজেই নিজের বাঁ কানের অনেকটা ছিঁড়ে দিল ব্লেড্ দিয়ে।

লোকে বলছে, ছেলেটা নাকি বদ্ধ পাগল এখন।

আত্মহত্যা করল একদিন। বুকে গুলি করে। তখন ৩৭ বছর বয়স।

এবার হঠাৎ শিল্পীমহলে চাপা ফিসফাস্ শুরু হল ছেলেটাকে নিয়ে। ফিসফাস্ থেকে আলোচনা, আলোচনা থেকে একটা exhibition. একটা থেকে কয়েকটা exhibition. কয়েকটা থেকে অনেকগুলো। সবকটা সাকসেসফুল। চড়া দাম দিয়ে কিনছে বড়োলোকেরা। স্বতন্ত্র নাকি তাঁর শিল্পগুণ। কেন ? কারণ , পাগলামো আর সৃজনশীলতা নাকি দারুণ মিলেমিশে যায় ঐ ছবিগুলোতে।

সেই যে পরিচিতি পেতে আরম্ভ করল মরা ছেলেটা, আজও সেটা চলছে। লোকে বলে, সে নাকি Quintessential Misunderstood Genius.

ছেলেটার নাম :

ভিনসেন্ট্ ভ্যান গগ্।

Standard